মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান

হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ

ধরণ

মসজিদ

ইতিহাস

হাজীগঞ্জ উপজেলার সবচেয়ে বড় ও আধুনিক নিদর্শন হচ্ছে হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ। বিরণ কারুকার্য খচিত কর্মকুশলতার অনন্য নিদর্শন হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ। এটি আহম্মদ আলী পাটওয়ারী ওয়াক্ফ এস্টেটের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। ঐতিহাসিক এই মসজিদের পাশাপাশি আলীয়া মাদরাসা, হাফেজিয়া মাদরাসা, নূরানী মাদরাসা, ফোরকানীয়া মাদরাসা, ইসলামীয়া পাঠাগার এবং দুঃস্থ-অসহায়দের সহযোগিতা প্রদানসহ ধর্মীয় কার্যাবলী চালু রয়েছে। হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক মসজিদখানা অলীয়ে কামেলের যোগ্য উত্তরসূরি দ্বারা প্রতিষ্ঠিত। হাজী আলী আহম্মদ পাটওয়ারী ১০০*২০ হাত আয়তনের পাকা মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা নিলেন। উল্লেখ্য, সে সময় এ এলাকায় কোন ব্রীকফিল্ড ছিল না। তিনি ইটের জন্য ভাটা তৈরি করেন, রেল লাইনের পাশে আজও সেই ইটের ভাটা ইটখোলা হিসাবে পরিচিত। হযরত মাওলানা আবুল ফারাহ্ জৈনপুরী (রহঃ) কর্তৃক ১৩৩৭ বাংলা সালে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়। পুরাতন ঢাকা মুহমানিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ শামছুল ওলামা মাওলানা আবু নছর মোঃ ওহীদ (রহঃ) এ উপলক্ষে হাজীগঞ্জে তাশরীফ আনেন এবং এ পুণ্য কাজে দোয়া করেন। মসজিদের প্রাচীর উঠার কাজ সমাপ্ত হলো। হাজী আহম্মদ আলী পাটওয়ারী (রহঃ) কলকাতা গিয়ে জাহাজ ভাড়া করে লোহার বীম ও মর্মর পাথর নিয়ে আসেন। সে সময় কলকাতা চাকরিরত ধড্ডা নিবাসী মোহাম্মদ আলী মাস্টার সাহেব মোতাওয়াল্লী সাহেবকে এ নেক কাজে যথেষ্ট সহায়তা দান করেন। ঢাকার সুনিপুণ ওস্তাগার মরহুম আঃ রহমান রাজের নেতৃত্বে অল্প অল্প দিনের মধ্যে ১০০*২০= ২০০০ বর্গহাতে মর্মর পাথর বসানসহ মূল মসজিদের দালান প্রস্তুত হলো। ১০ অগ্রহায়ণ ১৩৪৪ বাংলা সালে রোজ শুক্রবার নির্মিত মসজিদের প্রথম আজান একামতে উদ্বোধন হয়।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ছবি


যোগাযোগ

হাজীগঞ্জ ঐতিহসাকি বড় অফিস হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।